কালীঘাটের পট বাংলার শিল্পীদের অভিনব মৌলিক সৃষ্টি যার জন্য বাঙালি গর্ববোধ করতে পারে। কী ভাবে কালীঘাটের পট আঁকার সূত্রপাত ঘটল, কারা ছিলেন প্রথম যুগের শিল্পী, তারা কি রং ব্যবহার করতেন বা কি কাগজে আঁকতেন এ সব বিষয় নিয়ে গ্রন্থটিতে বিশদ ভাবে আলোচিত হয়েছে। উনিশ শতকের গোড়ায় বাংলায় কী বী ধরনের চিত্রকলা প্রচলিত ছিল, চোকা পেটের সঙ্গে কী তাদের ছিল সম্পর্ক। দীঘল পটের পটুয়াদের বিষয়, অঙ্কন শৈলী, পদ্ধতির সঙ্গেই পার্থক্য কোথায়। ইউরোপীয় শিল্পকলার দ্বারা প্রথম যুগের কালীঘাটের শিল্পে আদো কোনো প্রভার ছিল। এমন অনেকগুলো ধারণা যা ঔপনিবেশিক চিন্তার প্রভাবে প্রচারিত হয়েছিল যেটা এই গ্রন্থে তা আলোচিত হয়েছে। কোন সামাজিক পরিবেশে কালীঘাট পটে তীক্ষ্ণ বিদ্রূপ চিত্রগুলি জনপ্রিয় হয়েছিল আর শেষ পর্যায়ের পাশ্চাত্য প্রভাব বিষয়ে আলোচনা লেখকের
১৬ বছর ধরে বিষয়টি নিয়ে চর্চার ফসল।
জন্ম ১৯৫১, কলকাতা। কবি প্রাবনিন্ধক; উত্তর আধুনিক সাহিত্য চেতনার অন্যতম প্রবক্তা। সাহিত্য শিল্পকলার জগতে সমানভাবে বিচরণ করেন। উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত ও লোকসঙ্গীত সংগ্রহে তাঁর বিশেষ আগ্রহ। আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রিত লেখক হিসেবে বিশেষ বক্তৃতা দিয়েছেন। সংস্কৃতি মন্ত্রকের টেগোর ন্যাশনাল স্কলার ছিলেন। প্রকাশিত প্রবন্ধের সংখ্যা পায় শতাধিক। লোকায়ত শিল্প ও তুলনামূলক সংসস্কৃতিচর্চায় তাঁর আগগ্রহ পাঠকের কাছে পপ্রশংসনীয়। সাহিত্যতত্ত্ব বিষয়ক পত্রিকা ‘গাঙ্গেয়পত্র সম্পাদনা করেছেন ১৯৭৫ থেকে। পদ্ধতিগতভাবে সাহিত্যের ছাত্র না হলেও যাদবপুর, ঢাকা, চট্টগ্রাম, কলিকাতা, দক্ষিণ গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দিয়েছেন । ‘ভ্রমরা লোকসংগীত সংস্থার সভাপতি। কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন লাইব্রেরি ও গবেষণা কেন্দ্রে এর সঙ্গে যুক্ত।







