এই উপন্যাস আবর্তিত হয়েছে নিত্যানন্দ পরিবারের নবদ্বীপচন্দ্র গোস্বামীর ছেলে নায়ক রসিকবিহারীর সঙ্গে পাটুলি স্রোতের সহজিয়া পরিবারের মেয়ে গোলাপবালার প্রেম, পরিণয় ও প্রতিহিংসা নিয়ে। গোলাপবালার একটাই লক্ষ্য প্রভু নিত্যানন্দ পত্নী জাহ্নবাদেবীর মতো বৈষ্ণবপাটের প্রধান হওয়া।
এদিকে গোলাপবালার শ্বশুর নবদ্বীপচন্দ্র চাইছিলেন বাংলার বৈষ্ণবদের একত্রিত করে একটা বড় ছাতার নিচে নিয়ে আসতে। গোঁড়া বৈষ্ণব, জাত বৈষ্ণব আর সহজিয়ারা যদি মিলে মিশে যায়, এই ধর্মের এত শক্তি হবে যে সহজে খ্রীষ্টান আর দাঁত ফোটাতে পারবে না। বেঁচে যাবে বৈষ্ণবরা।
নবদ্বীপচন্দ্র গোটা বাংলা ঘুরে এই ঐক্যবদ্ধ করার কাজে নেমে পড়তেই পুত্রবধূ গোলাপবালার ইচ্ছে হল, গোটা বাংলায় নিজের প্রভুত্ব স্থাপন করবে সে। স্বামী রসিকবিহারীর বাবা নবদ্বীপচন্দ্রের হয়ে সেই-ই সংঘঠনের একটা বড় পদ নেবে। বাংলা জুড়ে দাপিয়ে বেড়াবে। এমনকি নিত্যানন্দপত্নী জাহ্নবাদেবীর মতো বৃন্দাবনেও নিজের প্রভাব বিস্তারের স্বপ্ন দেখতে থাকে। কিন্তু গোলাপবালা ওরফে মাধবীর কাছে সেই স্বপ্ন কি ধরা দেবে। এই প্রশ্নই এই উপন্যাসকে টেনে নিয়ে যায়।
Born in Habra Banipur, Tapas Ray entered the world of literature by writing poetry. His stories and novels gained attention. The first novel Poramatir Deul was published in the Sharod issue of Desh. And when it was published in book form by Anand Publishers, it was also recognized in the 2016 ‘Protham Alo’ award. He won the Virendra Award for Poetry in 2006.
Tapas Ray’s notable novels include: Mandasundari’s Kantha (Anand Publishers) Vandemataram (Akuhi Sathak) Shudhu Pate Lekha (Mississipir Megh), Srimati (Sananda) Putimasi’s Mishir Shishi (Grihashobha) and Red Percentage (Bharatavichitra, Dhaka).







