একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও কাগজে কলমে বাংলাদেশের উদ্ভব মানেই সেই নতুন দেশে স্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছিল, তা কিন্তু ঠিক নয়। ডিসেম্বরে পাকিস্তানের সৈন্যদের আত্মসমর্পণের মাস দুয়েকের মধ্যেই তা নিজের চোখেই দেখেছিলেন এই বইয়ের লেখক। তিনি তখন সদ্য নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকার ভারতীয় দূতাবাসের একজন উচ্চ আধিকারিক হিসাবে।
তখনও থেকে যাওয়া অবাঙালী রাজাকারদের সঙ্গে মুক্তিবাহিনীর লড়াই চলেছে মিরপুর সাত মসজিদ সহ বিভিন্ন এলাকাতে। সেই লড়াই সরাসরি প্রত্যক্ষ করেছেন তিনি। প্রত্যক্ষ করেছেন আরও অনেক কিছুই। ছিয়াত্তর সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে নানান ঘটনার ভেতরে ঢুকে বুঝতে চেষ্টা করেছেন কারণগুলো।
প্রায় চোখের সামনেই দেখেছিলেন বঙ্গবন্ধুর হত্যার ঘটনা। তার আগেই ঢাকার সেনা ব্যারাকের গায়ে অদৃশ্য লিখন দেখে বুঝতে পেরেছিলেন এই চক্রান্তের আসল নায়ক কারা! প্রত্যেক পাতায় শিহরণ জাগানো বিবরণ তাই তখনকার অনেক রহস্যের জট খুলে দেয় এতদিন পরেও।







